Saturday, April 10, 2010

প্রথম আলো প্রথম আলো - সুন্দরবনকে রক্ষার জন্য বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ফোরাম গঠনের তাগিদ

কলকাতা প্রতিনিধি | তারিখ: ০৪-০৪-২০১০
সুন্দরবনকে কোনো কাটা তাঁরের বেড়া দিয়ে আটকানো যায় না। ঘূর্ণিঝড় সিডর আর আয়লা সেই কথাই প্রমাণ করেছে। সেই দুর্যোগের সময় ভারত ও বাংলাদেশ ভৌগোলিক সীমানা ভেঙে একে অপরের সেবায় এগিয়ে এসেছিল। সেই সুন্দরবন আজ হুমকির মুখে। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব সুন্দরবনের জন্য ডেকে আনছে বিপর্যয়। সুন্দরবনকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ ও ভারতকে যৌথ ফোরাম গঠন করতে হবে।

আজ রোববার কলকাতার সল্টলেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের মিলনায়তনে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে সুন্দরবনকে রক্ষায় দিনব্যাপী এ কর্মশালার যৌথ আয়োজক ছিল এনভায়রনমেন্ট গভর্নড ইন্টিগ্রেটেড অর্গানাইজেশন ও এটিএন বাংলা। কর্মশালায় বাংলাদেশের পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ভারতের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রী জয়রাম রমেশ, পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি, সেচ ও জলপথ মন্ত্রী সুভাষ নস্কর, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখ্য সচিব এম এল মীনা, সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ তুষার গাঙ্গুলি, দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান পি এন রায়, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার সৈয়দ মাসুদ মাহমুদ খোন্দকার প্রমুখ অংশ নেন।

কর্মশালায় প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, সুন্দরবনকে রক্ষা করতে প্রয়োজন উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ। তিনি বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাচার্যের তালিকায় সুন্দরবনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উভয় দেশের মানুষকে আরও বেশি করে সুন্দরবনের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

যৌথ উদ্যোগের তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী জয়রাম রমেশ বলেন, সুন্দরবনকে রক্ষায় মহাপরিকল্পনা নিতে হবে। আগামি সেপ্টেম্বরে যৌথ ফোরাম গঠন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ইতিমধ্যেই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় সুন্দরবনের অনেক অঞ্চল পানির নিচে চলে গেছে। এখানকার প্রতিবেশ ব্যবস্থাও বিপন্ন হতে চলেছে। এই অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ অরণ্যও উষ্ণায়নের ফলে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

No comments: